ফিচার

আমার ছেলে কথায় সেনাবাহিনীর অফিসাররা উঠবস করেন- সেই প্রতারক সবুজের বাবা

  দেশান্তর প্রতিবেদন ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ , ১০:১১:৪০

আমার ছেলে কথায় সেনাবাহিনীর অফিসাররা উঠবস করেন- সেই প্রতারক সবুজের বাবা

(ফলোআপ) মেহেরপুরের গাংনীতে সেনাবাহিনীর চাকরি দেওয়ার নাম করে সাড়ে চার লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও সবুজ এবং সবুজের বাবা বাদল উদ্দীন। গত ৭ই ও ১১ ই নভেম্বর সবুজ ও সবুজের বাবা নগদ টাকা করে নেন যা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।

রাজীবের মা জানান, প্রতারক সবুজ গত ২২ দিন আগে গ্রাম্য ডাক্তার লতিফের মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে বলেন আমার বাড়িতে ওরা যেন না যাই। গ্রামে আমার মান সম্মান আছে তা হারিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সবুজের বাবা বাদল উদ্দিন রাজীবের বাসায় এসে বলেন আমার ছেলের এক কথায় সেনাবাহিনীর বড় বড় অফিসার রা উঠাবসা করে আমার ছেলের যা বলবে সেনাবাহিনী অফিসার তাই করবে। রাজীবের মা আরো জানান, ছেলের চাকরি হবে এমন সুবাদে ধার ও ঋণের মাধ্যমে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা সবুজের বাবার কথামতো সবুজের হাতে তুলে দিই। পরে আমার ছেলে চাকরি আর হলো না সবুজ টাকাগুলো মেরে খেয়েছে।কালকে হঠাৎ গাংনীর চোখ মেসেঞ্জারে মোঃ সামিদুল ইসলাম নামে দৈনিক শিকল পত্রিকা আর পরিচয় দিয়ে তিনি একটি মনগড়া টাইপ করে কাগজে পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করে বলেন, সবুজের কাছ থেকে ০৩ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে রাজিব। সবুজ টাকা চাইতে গেলে রাজিব বিভিন্নভাবে অপমান অপদস্ত করছে সবুজকে। বিষয়টি জানতে সামিদুল ইসলাম কে সত্য ঘটনা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তিনি সাংবাদিককে প্রশ্ন করে বলেন আপনি এ বিষয়ে সত্যতা কতটুকু জানেন তখন সাংবাদিক তাকে জানাই সবুজের বাবা একজন রাজমিস্ত্রি, যার ভিটা মাটি বিক্রি করলেও ৩ লক্ষ টাকা হবে না। এমন কথা শুনে কোনো সদুত্তর না দিয়ে ফোন কেটে দেন বারবার ফোন দেয়ার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে মেসেঞ্জারে জানান ভাই আপনিও সাংবাদিক আমিও সাংবাদিক কেন আমার পিছনে লাগছেন।নাম প্রকাশ করা যাবে না এমন শর্তে একজন জানান, সবুজ দামী পোশাক পড়ে থাকার কারণে গ্রামের সবাই মনে করেন তিনি অনেক বড় মাপের একজন ডাক্তার যেহেতু তিনি রতন ম্যাচে লেখাপড়া করেছেন। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তিনি গ্রাম্য ডাক্তার এর কোর্স করেছেন বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন আমি তাকে কখনো ডাক্তার হিসেবে মনে করিনি দীর্ঘদিন একসাথে চেম্বার খুলে বসায় বিভিন্ন ভাবে প্রতিষ্ঠান ক্ষতি করে অর্থনীতি নিয়ে পালিয়েছে সবুজ। তাই এই সব মুখোশধারী প্রতারক থেকে সাবধান হওয়া আমাদের উচিত।রাজীবের বন্ধু লিখন জানান, রাজীবের চাকরি হবে এমন সংবাদ শুনে সবুজকে আমি ম্যাসেঞ্জারে ফোন দেই পরে শুনি চাকরি দেয়নি টাকা নিয়ে পালিয়েছে সবুজ। পরবর্তীতে সবুজকে ফোন দেয়া হলে সবুজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে লাশ গুম করে দেওয়ার হত্যার হুমকিও দেন। সবুজ বলেন আমার ক্ষমতার কাছে তোরা চুনোপুটি, কুষ্টিয়ার বড় বড় লিডাররা আমার সাথে উঠবস করে এছাড়াও আমি বেশ কয়েকটা পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক। তোর লাশ গুম করে দিলেও কোন টিভি চ্যানেল পত্রিকা সে নিউজ ছাপাবেনা। তোর এত বড় সাহস হয় কি করে যে আমার কাছে প্রশ্ন করিস চাকরি হলো না কেন তোর মত হাজারো লিখন আমার পায়ের নিচে ঘুরে সব সময়। এমন কথোপকথনে হুমকি-ধামকি দিয়েছেন সবুজ যা রেকর্ডিং আছে।নোটারি পাবলিকের বিষয়ে জানতে সবুজকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরও খবর 16

Sponsered content