fbpx
সংবাদ শিরোনাম
মেহেরপুরের সাহিত্যিক মোঃ নুর হোসেন শব্দ কথায় সৃষ্টি করে চলেছেন সাহিত্যের নানান আদিত্য তাকবিরে তাশরিক কখন কিভাবে? সূনয়না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত  Making The World A Better Place স্লোগানে তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করছে  ইউপিজি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে- শিল্পমন্ত্রী বেনাপোলে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব সকল স্বার্থের উর্ধ্বে – পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা উত্তরা আজমপুরে ডিএনসিসি’র উচ্ছেদ অভিযান; নেতৃত্বে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

রাবিতে প্রথমবারের মতো ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত

                                           
মারুফ হাসান, রাবি
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রথম বারের মতো ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এটি।

সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবির এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. অবায়দুর রহমান প্রামানিক।

অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সত্তার বলেন, আমরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যেতে এখনো অনেক বাকি। তবে আমরা আশা করছি, আমরা ভবিষ্যতে ভালো করব। এসব আয়োজন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমরা আশা করছি, এবার ওয়ার্ল্ড র্য্যাংকিংয়ে পনেরোশতের ভিতরে অবস্থান করবো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আজকে বিশ্ব যে জায়গায় এগিয়ে গেছে, আমরা তার থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। টেকনোলজি যে পরিমাণ এগুচ্ছে, আমরা সে পরিমাণ এগুতে পারছি না। আমরা যদি এখন ঘুরে না দাঁড়াই, এগুলো নিয়ে চিন্তা না করি, তাহলে আমরা ভবিষ্যতে অনেক পিছিয়ে পড়বো। অনেক উন্নত দেশে আমরা লক্ষ্য করছি ছোটখাটো বিষয়ে তারা টেকনোলজি ব্যবহার করে। আমাদেরও সেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিটি বিভাগ ও দপ্তরকে একাধিকবার অনুরোধ করেছি। যদি তাদের নতুন চিন্তা নাও আসে, তারপরও তারা যেন আমাদের সাথে এসে যুক্ত হয়। কিন্তু তাদের কাছ থেকে আগ্রহ পাওয়া যেতে পারে সে চিন্তাটা করতে পারিনি। পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি সেভাবে কাজ না করি, তাহলে আমরা একটি অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তি এবং সমাজে পরিণত হবো।

রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল হাসান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এসময় বিভিন্ন হল, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের মোট ২২ জন প্রতিনিধি তাদের ইনোভেশন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন