fbpx
সংবাদ শিরোনাম
মেহেরপুরের সাহিত্যিক মোঃ নুর হোসেন শব্দ কথায় সৃষ্টি করে চলেছেন সাহিত্যের নানান আদিত্য তাকবিরে তাশরিক কখন কিভাবে? সূনয়না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত  Making The World A Better Place স্লোগানে তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করছে  ইউপিজি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে- শিল্পমন্ত্রী বেনাপোলে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব সকল স্বার্থের উর্ধ্বে – পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা উত্তরা আজমপুরে ডিএনসিসি’র উচ্ছেদ অভিযান; নেতৃত্বে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

রাজশাহী বাগমারায় খাবারের লোভ দেখিয়ে ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ

                                           
প্রকাশ : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীতে খাবারের লোভ দেখিয়ে ১০ বছরের এক শিশু কে ধর্ষণ করেছে প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত একজন স্কুল শিক্ষক। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়।

ঘটনা সূত্রে জানা যায় রাজশাহীর বাগমারায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনা জানাজানি হয়।

তবে গ্রামে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ালে পুলিশ শনিবার (২০ মার্চ) বিকেলে ধর্ষণ মামলা গ্রহণ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগমারা উপজেলার একটি গ্রামে ওই অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক (৬২) গত বুধবার প্রতিবেশী এক মেয়ে শিশুকে (১০) খাবারের লোভ দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় তার বাড়িতে কেউ ছিলেন না। শিশুটিকে ঘরে ঢুকিয়ে নিয়ে দরজা লাগিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য বলেন। ঘটনাটি প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকিও দেন।শিশুটি বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে ভয়ে ওই দিন ঘটনাটি পরিবারের কাউকে জানায়নি।

পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরদিন গত বৃহস্পতিবার সে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। শিশুর মা পরিবারের অন্য সদস্যদের জানালে তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চান।

একপর্যায়ে শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এই অপরাধের জন্য ক্ষমা চান এবং স্থানীয়ভাবে সুরাহার জন্য অনুরোধ করেন। পরে শিশুটির পরিবারের লোকজন বিক্ষুব্ধ হলে তিনি পালিয়ে যান। শিশুর পরিবার ও এলাকার লোকজনের মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিওতে তাকে ঘটনার জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমা চাইতে দেখা গেছে।শিশুর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি গ্রামের অন্যদের জানালে তাদের সহায়তায় বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানো হয়। পুলিশও শিশুর পরিবারকে এই বিষয়ে মামলা করার পরামর্শ দেয়। সে মোতাবেক শনিবার দুপুরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও লোকজন শিশুসহ তার মা-বাবাকে বাগমারা থানায় নিয়ে আসেন।

এরপর বিকেলে শিশুর মা বাদী হয়ে ওই অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষককে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামি পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এই কাজের জন্য কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

এখন জনমনে একটাই প্রশ্ন মানুষ গড়ার কারিগর যদি নিজেই ধর্ষক হয় তবে শিশুদের ভবিষ্যত কোথায় ???

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন