fbpx
সংবাদ শিরোনাম
ফল প্রকাশে অটোমেশন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: ১ জনকে হলত্যাগ ও ২ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ শার্শায় ফসলি জমির মাটি বিক্রির সিন্ডিকেট বেপরোয়া, জড়িত খোদ ইউপি সদস্যরা পাইকগাছায় ঘূর্নিঝড় রেমালের প্রভাবে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি : মারাত্মক ঝুঁকিতে ২টি ভেড়িবাঁধ স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন রাবিতে প্রথমবারের মতো ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত জবির ফিচার, কলাম অ্যান্ড কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে মুনতাহা-শাহরিয়ার উচ্চশিক্ষা নিয়ে রাবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য নির্বাচিত দপ্তর-সংস্থার মাঝে শিল্পমন্ত্রীর সনদ বিতরণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বজনীন পেনশন নীতিমালা প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন, বিপাকে যাত্রীরা

                                           
সাঈদ ইবরাহীম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন

রাজশাহীতে আজ মঙ্গলবার(২ মার্চ) বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সারা দেশ জুড়ে পরিবহন রুট বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা। এতে বিপদে পড়েছেন রাজশাহীর বাইরের প্রান্ত থেকে অবস্থান করা যাত্রীরা। ফিরে যেতে পারছেন না ঢাকা সহ অন্যান্য গন্তব্যস্থলে। কাজে বিঘ্ন ঘটছে, চরম দূর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

তবে, পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘটের কারণ হিসেবে তুলে ধরছেন অন্য ঘটনা। তাদের দাবি, বগুড়ায় সংঘর্ষে এক পরিবহন শ্রমিককে মারধর করায় তাদের এই বাস ধর্মঘট।

কারণ অনুসন্ধান করে জানা গেছে ভিন্ন ঘটনা। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। মূলত এটিকে সামনে রেখেই বাসগুলো যাতে ভাঙচুর বা কোনরকম ক্ষতির মুখোমুখি না হয় তাই এই ধর্মঘট। বিএনপির নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিভাগীয় সমাবেশ যাতে পণ্ড হয় তাই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

এদিকে, সারাদেশের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দূর্ভোগে পড়া যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ ভাড়া। বিকল্প যানবাহন বেছে নিচ্ছেন অনেকে। সিএনজি, মাইক্রোবাসে দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া দিয়ে যাত্রা করছেন গন্তব্যস্থলে।

বাস বন্ধ প্রসঙ্গে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী বলেন, বগুড়ায় পরিহন শ্রমিক ইউনিয়নের বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটির একটি প্রতিবাদ সভা ছিল গত ১৪ ফেব্রুয়ারি। সেখানে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালায়। চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এর প্রতিবাদে সেদিনই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মাঝে পৌরসভা নির্বাচনের জন্য ধর্মঘট শুরু করা হয়নি। নির্বাচন শেষ হওয়ামাত্র ধর্মঘট শুরু হয়েছে। হামলাকারী সন্ত্রাসীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত বাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অবশ্য রাজশাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটো বলেছেন, বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে তারা সড়কে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছেন। গাড়ি ভাঙচুর করা হতে পারে বলেও তাদের আশঙ্কা। আর তাই শ্রমিকের জীবন ও যানবাহনের নিরাপত্তার জন্য বাস বন্ধ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন