fbpx
সংবাদ শিরোনাম
ফল প্রকাশে অটোমেশন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: ১ জনকে হলত্যাগ ও ২ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ শার্শায় ফসলি জমির মাটি বিক্রির সিন্ডিকেট বেপরোয়া, জড়িত খোদ ইউপি সদস্যরা পাইকগাছায় ঘূর্নিঝড় রেমালের প্রভাবে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি : মারাত্মক ঝুঁকিতে ২টি ভেড়িবাঁধ স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন রাবিতে প্রথমবারের মতো ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত জবির ফিচার, কলাম অ্যান্ড কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে মুনতাহা-শাহরিয়ার উচ্চশিক্ষা নিয়ে রাবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য নির্বাচিত দপ্তর-সংস্থার মাঝে শিল্পমন্ত্রীর সনদ বিতরণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বজনীন পেনশন নীতিমালা প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার

                                           
এম এম টিপু সুলতান  
প্রকাশ : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ মোংলায় নিজের কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক পিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মাকড়ঢোন এলাকা থেকে পুলিশ ধর্ষক মালেককে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ, স্থানীয়রা ও শিশুর মা জানান, পৌর শহরের মাকড়ঢোন এলাকার বাসিন্দা মালেক হাওলাদার (৩৫) মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ব্লেড হাতে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার নিজ শিশু কন্যাকে (১৪) ধর্ষণ করেন। এর আগের দিন সোমবারও একই সময়ে মেয়েকে ধর্ষণ করেন পিতা মালেক। মালেকের স্ত্রী হেপি বেগম (২৭) ইপিজেডের একটি ফ্যাক্টরীতে শ্রমিকের কাজ করেন। মঙ্গলবার কাজ থেকে বাড়ীতে ফিরে মেয়েকে অসুস্থ ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর মেয়েটি সব কিছু তার মায়ের কাছে খুলে বলেন। বিষয়টি আশপাশের মানুষের মাঝে জানাজানি হলে বুধবার দুপুরে পুলিশকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ এ ঘটনায় বিকেলে ওই এলাকা থেকে ধর্ষক পিতা মালেককে আটক করেন।

মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাদী হচ্ছেন শিশুটির মা ও ধর্ষকের স্ত্রী হেপি বেগম। মালেক ও হেপি বেগমের দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে মেয়েটি ছোট। মেয়েটি আরাজী মাকড়ঢোন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী।

এ বিষয়ে শিশুটির মা হেপি বেগম বলেন, আমি ইপিজেডের একটি ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করি। ছেলেটি অন্যের দোকানে কাজ করে। আর মেয়েটি বাড়ীতে থাকে। ওর বাবা কিছুই করেনা। গত দুইদিন ধরে মেয়েটির সাথে তার বাবা খারাপ কাজ করেছে। মেয়ের গলায় ব্লেড ধরে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে ওরা বাবা মালেক। ভয়ে মেয়েও আমাকে প্রথমে কিছু বলেনি, আমি ওর শরীরে ও ঘরের বিছানা-কাপড়ে রক্ত দেখে জিজ্ঞাসা করলে মেয়ে তখন সব বলে। পরে ওর বাবাকে জিজ্ঞেস করলে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করে বলে আমার ভুল হয়েছে। আমি এ ঘটনার কঠিন বিচার চাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন