fbpx
সংবাদ শিরোনাম
ফল প্রকাশে অটোমেশন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: ১ জনকে হলত্যাগ ও ২ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ শার্শায় ফসলি জমির মাটি বিক্রির সিন্ডিকেট বেপরোয়া, জড়িত খোদ ইউপি সদস্যরা পাইকগাছায় ঘূর্নিঝড় রেমালের প্রভাবে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি : মারাত্মক ঝুঁকিতে ২টি ভেড়িবাঁধ স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন রাবিতে প্রথমবারের মতো ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত জবির ফিচার, কলাম অ্যান্ড কনটেন্ট রাইটার্সের নেতৃত্বে মুনতাহা-শাহরিয়ার উচ্চশিক্ষা নিয়ে রাবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য নির্বাচিত দপ্তর-সংস্থার মাঝে শিল্পমন্ত্রীর সনদ বিতরণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বজনীন পেনশন নীতিমালা প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

মাকে বাঁচাতে সন্তানের আকুতি, টাকার অভাবে নিতে পারছেনা চিকিৎসা

                                           
হৃদয় সরকার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ মাকে বাঁচাতে সন্তানের আকুতি যেন খরাহীন বৃষ্টির মতো। দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে খেলা করছে উর্মির মা। টাকার অভাবে সঠিক চিকিৎসা করাতে পারছে না উর্মি, তাই সকলের সহযোগীতা চান বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী উর্মি।

উম্মুল মুহছিনিন (উর্মি) গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন যাবৎ তার মা ব্রেস্ট ক্যান্সারে ভুগছে। ইতিমধ্যেই তার ছয়টি অপারেশন ও তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কবলে পরে দীর্ঘদিন ধরে চলা এ চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবার এখন নিঃস্বপ্রায়।

এমতাবস্থায় টাকার অভাবে আটকে আছে মায়ের চিকিৎসা। নিতে পারছেনা সঠিক কোনো সিদ্ধান্ত। চোঁখের সামনে মায়ের এমন করুন অবস্থা দেখে মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে যাচ্ছে উর্মি।

এ ব্যাপারে উম্মুল মুহছিনিন উর্মি বলেন,

আমার মায়ের প্রথম ক্যান্সার ধরা পড়ে ২০১৯ সালে। সেই থেকে আমরা সাধ্যমত মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে আসছি। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানোতে এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল থাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ হয়ে আছে মায়ের চিকিৎসা। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আমাদের একটি দোকান ও বিক্রি করতে হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলেছেন মা কে আরো ৪ টি কেমোথেরাপি দিতে হবে।এমতাবস্থায় মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া আমাদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছেনা।

তিনি বলেন, চোখের সামনে মায়ের এ করুন অবস্থা সন্তান হিসেবে আমি আর মেনে নিতে পারছিনা। তাই সমাজের সকল স্থরের হৃদয়বান মানুষের কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনারা আমার মা’কে বাচাঁতে এগিয়ে আসুন।

সাহায্য পাঠানোর জন্য

বিকাশ:০১৭১১৭৩৯৬৮২

রকেটঃ০১৭১১৭৩৯৬৮২

নগদঃ০১৪০৭২৯৪৮৬৮

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন