fbpx
সংবাদ শিরোনাম
রাবিতে আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ আমির আলী হল লাইলাতুল বারাআত তথা মুক্তি বা পরিত্রাণের রজনী। মুজিবনগরে বিদেশী পিস্তল সহ ৫ যুবক আটক। শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার কৃষকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ধ্রুমজাল তৈরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯১.৭৫ শতাংশ ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু রাবির হোসন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্মারক আন্তঃক্লাব বিতর্ক উৎসব-২০২৪ ভাষা শহীদদের প্রতি রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি। যশোরের অভয়নগর উপজেলা সমিতির দায়িত্বে গালিব ও পারভেজ সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মাসুদ রানার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন
নোটিশ :

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দৈনিক দেশান্তর’ এ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এজন্য দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন আহবান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীদের ই-মেইলে সিভি পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। সিভি পাঠানোর ই-মেইল: dainikdeshantar@gmail.com  অথবা ০১৭৮৮-৪০৫০৯১ এ যোগাযোগ করুন।

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

                                           
এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ
প্রকাশ : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে থেকে বাবাদিবস পালন শুরু হয়। মূলত মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল – এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু হয়। ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ই জুলাই, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় এই দিনটি প্রথম পালিত হয়।

তবে পরবর্তীতে সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলা ১৯১০ সালের এই দিন থেকে বাবা দিবস পালন করা শুরু করেন।

পিতৃ দিবস বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই পালিত হতো! আসলে মা দিবস নিয়ে মানুষ যতটা উৎসাহ দেখাতো, পিতৃ দিবসে মোটেও তেমনটা দেখাতো না, বরং বাবা দিবসের বিষয়টি তাদের কাছে বেশ হাস্যকরই ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টায়, ১৯১৩ সালে আমেরিকান সংসদে পিতৃ(বাবা) দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন পিতৃ দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার পিতৃ(বাবা) দিবস হিসেবে পালিত হয়।

আপাত দৃষ্টিতে অনেকের কাছেই মা দিবস বা বাবা দিবস পালনের বিষয়টি খুব একটা গুরুত্ব পায় না। তাই বলে এ ধরনের দিবসগুলো একেবারেই যে অপ্রয়োজনীয়, তেমনটা কিন্তু মোটেও বলা যাবে না। সন্তানের জন্য বাবার ভালোবাসা অসীম। মুঘল সাম্রাজ্যরের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর সন্তানের প্রতি বাবার ভালোবাসার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন। তিনি সন্তান হুমায়ুনের জীবনের বিনিময়ে নিজের জীবন ত্যাগ করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। এমন স্বার্থহীন যার ভালোবাসা, সেই বাবাকে সন্তানের খুশির জন্য জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়। পিতৃ দিবসে সন্তানদের সামনে সুযোগ আসে বাবাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানানোর।

তাছাড়া বাবা দিবস পালনের ফলে সমাজে এবং পরিবারে বাবাদের যে অবদান তা যে সমাজ এবং নিজের সন্তানরা মূল্যায়ন করছে, এ বিষয়টিও বাবাদের বেশ আনন্দ দেয়। তাছাড়া অনেক সন্তানই আছে, যারা পিতা-মাতার দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে পিতা-মাতার প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে তাই বলা যায়, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে মা দিবস বা বাবা দিবসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। মোটকথা আমাদের পরিবার তথা সমাজে পিতার যে গুরুত্ব তা আলাদাভাবে তুলে ধরাই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

“ফাদারস ডে সেলিব্রেশনের” ক্ষেত্রে দেশ ভেদে দেখা যায় বিভিন্ন বৈচিত্র্য। এ দিবসটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে পালিত হয়। এদিনে ছেলেমেয়েরা তাদের বাবাকে কোনো না কোনো উপহার দিতে খুব পছন্দ করে। আর বাবারাও ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে গিফট পেয়ে বেশ অভিভূত হয়ে যান। এ গিফট দেয়ার ক্ষেত্রেও দেশ ভেদে দেখা যায় ভিন্নতা। কোনো কোনো দেশে ছেলেমেয়েরা বাবাকে কার্ড বা ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে বাবা দিবসের শুভেচ্ছা জানায়। আবার কোথাও কোথাও বাবাকে ছেলেমেয়েরা নেকটাই ও উপহার দেয়। অনেকে আবার বাবা দিবস উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজনও করে।

মোটকথা নানা আনন্দের মাধ্যমে বর্তমানে বাবা দিবস পালিত হয়।

(সূত্র-উইকিপিডিয়া)

আসুন আমরা সংকল্পবদ্ধ হই যে বাবা মা কে আমরা কখনও কষ্ট না দেই। আল্লাহ সকলকে তাওফিক দান করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

অনলাইন জরিপ

আপনি কি মনে করেন পাঠ্যবইইয়ের শরিফ থেকে শরিফা গল্পটি অপসারণ করা প্রয়োজন?
×

এই বিভাগ থেকে পড়ুন