fbpx
সংবাদ শিরোনাম
মেহেরপুরের সাহিত্যিক মোঃ নুর হোসেন শব্দ কথায় সৃষ্টি করে চলেছেন সাহিত্যের নানান আদিত্য তাকবিরে তাশরিক কখন কিভাবে? সূনয়না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত  Making The World A Better Place স্লোগানে তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করছে  ইউপিজি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে- শিল্পমন্ত্রী বেনাপোলে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব সকল স্বার্থের উর্ধ্বে – পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা উত্তরা আজমপুরে ডিএনসিসি’র উচ্ছেদ অভিযান; নেতৃত্বে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

তীব্র তাপদাহেও গ্রীষ্মের সৌন্দর্য অমলিন

                                           
আফরিন আক্তার ইতি
প্রকাশ : রবিবার, ৫ মে, ২০২৪

ষড়ঋতুর রূপেগুণে সুসজ্জিত আমাদের রূপসী বাংলা। ঋতুবৈচিত্র্যর বাংলাদেশে প্রকৃতির রূপ যেভাবে পাল্টায়, পৃথিবীর অন্য অঞ্চলে এত দ্রুত প্রকৃতির রূপ পাল্টাতে দেখা যায় না।প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য যেমন মানুষকে বিমোহিত করে তেমনি প্রকৃতির বিরূপ প্রতিক্রিয়া মানুষকে করে উতলা ও বিক্ষুব্ধ। তারপরও প্রকৃতি তার নিজের নিয়মে বয়ে যেতে পছন্দ করে।

প্রকৃতি থেকে অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে এখন বিরাজ করছে গ্রীষ্মকাল।খাঁ খাঁ রোদ্দুর, তপ্ত বাতাস,চারদিকে নিঝুম, নিস্তব্ধ, ঝিমধরা প্রকৃতি,ঘামে দরদর, তৃষ্ণার্ত পথিক।মাঝে মাঝে আকাশে মেঘ দেখা গেলেও বৃষ্টির দেখা মিলছে না।সমস্ত প্রকৃতি যেনো নির্জীব হয়ে উঠেছে।দূর আকাশে পাখনা মেলে চিল যেনো বৃষ্টিকে আহ্বান জানায়।গাছের নিচে মানুষের নিঃশব্দ অবস্থান গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরের পরিচিত দৃশ্য।

তবে জনজীবন অতিষ্ঠ হলেও গ্রীষ্ম তার নিষ্প্রাণ রুক্ষতাকে ছাপিয়ে প্রকৃতিতে মেলে ধরেছে অপার সৌন্দর্য। প্রকৃতি যেনো সেজেছে নতুন রূপে। গ্রীষ্মের খাঁ খাঁ অবস্থার মধ্যেও প্রকৃতি জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সবুজ পত্রপল্লবের দুলুনি,বিহঙ্গের শান্ত কূজন, বিস্তৃত খেতজুড়ে সোনালি ধানের ঢেউ ও রং-বেরঙের ফুল -ফলের মন মাতানো ঘ্রাণ। এসময় বৃক্ষের নিচে পথিকের মন জুড়ানো দৃশ্য খুব সাধারণ বিষয়। সবুজ পাতারা ক্লান্ত পথিককে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে যেনো ধন্য হয়।গ্রীষ্মের মতো অপরূপ নান্দনিকতা আর কোনো ঋতুতে খুঁজে পাওয়া যায় না। গ্রীষ্মের এই অপরূপ সৌন্দর্য দেখে দিজেন্দ্রলাল রায়ের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে

” এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি ”

কবি সাহিত্যিকরা গ্রীষ্মের রূপে বিমোহিত হয়েছে বারবার। গ্রীষ্মে গাছের শাখা প্রশাখা জুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে সোনালী হলুদ রঙের ফুল ফোটে ও এর ব্যাপ্তি থাকে গ্রীষ্মের পুরো সময় জুড়ে। গ্রীষ্মে যখন সব গাছে ফুল ফুটে তখন মনে হয় সোনালী আলোকচ্ছটায় চারপাশ আলোকিত হয়েছে। এক কথায় দৃষ্টিনন্দন ফুলে ফুলে গ্রীষ্ম এক স্বর্গীয় রূপ ধারণ করেছে। হলুদ রঙের সোনালু,কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আভা,জারুলের বেগুনি পাপড়ির নমনীয় কোমলতায় ভরে উঠেছে গ্রীষ্মেকাল।
এছাড়া গ্রীষ্মকাল যেনো ছায়া ও ফলসমেত এক বিশাল বৃক্ষ। আম, জাম,কাঁঠাল, লিচু নানা ফলের সমাহারে সেজে ওঠে গ্রীষ্ম।

গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহেও গ্রীষ্মের সৌন্দর্য যেনো অমলিন। সবাই গ্রীষ্মের হরেক রকমের ফুল ও ফলে বিমোহিত হয়ে আছে।প্রকৃতিপ্রমীরা হরেক রকমের বন্দনায় মেতে উঠেছে।

লেখক : শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন