জীবন নামক মহা সড়কের মাঝে
একা দাঁড়িয়ে অভাগিনী,
জানে না কোন বাহনে উঠতে হবে
কোথা তার গন্তব্য।
দু’হাত ভর্তি জিনিসপত্র
ঠাসা ঠাসা সপ্ন,প্রেম,কাম,যত্ন
কারে দিবে,জানে না
কে নেবে জানে না।
কতো ভুল বাহনে উঠে
মাঝপথে নেমে গিয়ে
নিভে যাওয়া সলতে হয়ে
পুড়ছে বিরহে।
দিশেহারা সে রমণী
বর্ষায় ভিজে একাকার
চোখের জল,শ্রাবণের জল
এক ভাবে বয় নিরাকার।
একাকিনী সে তরুণী
রোদে পুড়ে কনক শরীর
ঘামের জলে চোখের জলে
বাধ্যতামূলক সর্বংসহা।
কতো বাহন,কতো ঠিকানা!
কোথাও না যাওয়া যায়
কোথাও না যেতে চায়
চির বিরহিনী পুড়ছে, পুড়ুক।
মায়াবী কান্তি মাঝে বিরহের রেখা
তার বন্ধু,সুজন প্রেমিকের তরে।
বিরহিনী জেনে গেছে দুঃখ তার সঙ্গী
কেউ কারো হয়না দুঃখহরা।
সে তপস্যা জানে না,সে মুনির
ধ্যান ভাঙাতে পারে না।
সে নিজ ঘরে পরবাসী,সে কুলটা নারী
প্রেমিকের বুকেও পরবাসী।
প্রেমিকের তরে ফুলসজ্জা রচে
কতো কানন,কতো পংক্তিতে
শত চুমো পায়ে দিয়ে বলে,
ছেড়ে না যেতে কোনো করা ভুলে।
চোখের তারার পেছনে গুপ্ত
আসমুদ্রহিমাচল দুঃখ
বন্ধু প্রেমিককে দেখায়
কাকুতি ভরা কণ্ঠে।
প্রেমিক বিরহ দেয় ভিন্ন ছন্দে
ঘন দুঃখ চুইয়ে পরে রক্তের গন্ধে
হৃদয় নামক কারাগার থেকে,
বন্ধু প্রেমিক কাঁদায় রেখে রেখে।
রাজপুত্র প্রেমিক তার বাহনে
আগেই নিয়েছিল যাত্রী
দুখিনীর চোখে ঘোরতর রাত্রি
তবুও এসেছিল জীবনে,বলেছিল
কথা তব ভালোবাসার।
তবুও আশঙ্কা,যদি না রাখে কথা!
যদি অনুরোধ না রাখে,আশঙ্কা খুবই,
তবুও ভালো উদাসীন থাকা।