fbpx
সংবাদ শিরোনাম
মেহেরপুরের সাহিত্যিক মোঃ নুর হোসেন শব্দ কথায় সৃষ্টি করে চলেছেন সাহিত্যের নানান আদিত্য তাকবিরে তাশরিক কখন কিভাবে? সূনয়না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত  Making The World A Better Place স্লোগানে তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করছে  ইউপিজি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে- শিল্পমন্ত্রী বেনাপোলে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব সকল স্বার্থের উর্ধ্বে – পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা উত্তরা আজমপুরে ডিএনসিসি’র উচ্ছেদ অভিযান; নেতৃত্বে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বাড়িতে বাড়িতে জ্বর, ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভীতি

                                           
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বাড়ছে জ্বরের প্রাদুর্ভাব। এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে পরিবারের সবাই। তবে এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশি। আশংকাজনক হারে জ্বরের রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের মাঝে করোনা ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। করোনা আক্রান্তের ভয়ে অনেকেই ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই গোপনে নিজের মতো করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ওষুধের দোকানদাররা জানান গত কয়েক দিনে সর্দি ,জ্বর,কাশি, শ্বাসকষ্ট ও গলা ব্যাথার ওষুধ বিক্রি হয়েছে স্বাভাবিকের চাইতে কয়েকগুন বেশি। এসব রোগের ঔষুধ সরবরাহ কম থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ জন রোগী করোনা পজিটিভ হয়েছেন। উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনা পজিটিভ হয়েছেন ৮৮ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১ জন। সর্দি জ্বর, গলা ব্যাথা নিয়ে গত সাত দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৭০ জন রোগী। জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলায় করোনা সনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। পুরো উপজেলায় হঠাৎ করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে স্থানীয় প্রসাশন।

এরই মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণও করেছেন বেশ কয়েকজন। করোনার নমুনা দিতে মানুষের অনীহা থাকায় উপজেলায় করোনা রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করতে পারছেনা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

উপজেলার স্বাস্হ‍্য বিষেজ্ঞদের ধারণা এই এলাকায় হঠাৎ করে করোনা প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে এলাকার জনসাধারণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনীহা ও স্থল বন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকের চালক ও সহকারীদের অবাধ চলাচল।

ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের লিটন মিয়া (৪৫) ও চরভূরঙ্গামারী ইউনিয়নের গেন্দা মিয়া (৩০) বলেন আমরা ৪/৫ দিন থেকে জ্বর ও সর্দিতে ভূগছি। জ্বরে কাহিল হয়ে পড়েছি। বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছি আমরা।

চরভূরঙ্গামারী ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম ফজলুল হক বলেন, আমার এলাকায় অনেক মানুষের জ্বর ও সর্দি হওয়ার খবর পাচ্ছি। তাদেরকে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়ার জন‍্য বলছি।

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সরকার জানান, ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ জ্বরে ভুগছেন। ইউনিয়নটিতে দীর্ঘদিন জ্বরে ভুগে একব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন।

জয়মনিরহাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক সাখাওয়াৎ হোসেন সানোয়ার জানান, ইউনিয়নের প্রায় প্রত্যেক বাড়িতে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন।

ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান জানান, ইউনিয়নটিতে জ্বরে একব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে।

সমাজসেবক মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম খান রোমান জানান, বর্তমানে আমাদের উপজেলায় করোনা সনাক্তের হার উর্ধমূখী। মানুষের মধ্যে সচেতনতার খুবই অভাব রয়েছে কোভিড-১৯ এর প্রথম ঢেউয়ে যাঁরা সামনে থেকে কাজ করে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম ভূরুঙ্গামারী ফাউন্ডেশন সহ অন্যান্য সংগঠন ইতিমধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন