1. admin@dainikdeshantar.com : admin :
  2. anikrahman64mcjjnu@gmail.com : Anik Rahman : Anik Rahman
  3. parvezhosen2020@gmail.com : Parvez Hosen : Parvez Hosen
করোনার টিকাদানে এগিয়ে উন্নত দেশগুলো - দৈনিক দেশান্তর

করোনার টিকাদানে এগিয়ে উন্নত দেশগুলো

  • প্রকাশের সময়- শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক করোনা মহামারির শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকটি দল কোভিড-১৯র কার্যকর প্রতিষেধক টিকা তৈরির জন্য কাজ করেছেন। আর ইতিমধ্যে এই টিকা কয়েকটি দেশ উদ্ভাবিতও করেছে।

কিন্তু এত অল্প সময়ে এই টিকা উদ্ভাবন করা যেমন বিজ্ঞানীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তেমনি বিশ্বব্যাপী সাতশ কোটির ওপর মানুষের কাছে এই টিকা পৌঁছে দেওয়াও একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ।ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার টিকাদান শুরু করেছে ৷ সেই দৌড়ে উন্নত দেশগুলোই এগিয়ে রয়েছে। এর সঙ্গে কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশ থাকলেও কোনো ‘অনুন্নত দেশ’ এখনো কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টিকা কার্যক্রমের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়,করোনার টিকা কার্যক্রমে সবার চেয়ে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ইসরায়েল। গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে তারা বায়োনটেক-ফাইজারের টিকা দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। আর পাঁচ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ ডোজ টিকা দিয়েছে। অর্থাৎ ১৭ ভাগ জনগোষ্ঠীকে এরই মধ্যে টিকার আওতায় এনেছে ইসরায়েল, যা সবার চেয়ে বেশি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সোয়া আট ভাগের বেশি মানুষকে করোনার টিকা দিতে পেরেছে। তারা এই সময়ের মধ্যে মোট ৮ লাখ ২৬ হাজার ডোজ টিকা দিয়েছে।পারস্য উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনের প্রতি ১০০ জনের ৪ জন এরই মধ্যে টিকা পেয়েছে। এক্ষেত্রে ইসরায়েল ও আরব আমিরাতের পরেই তাদের অবস্থান। মোট টিকাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা ৬৮ হাজারের বেশি।

করোনার টিকা বিতরণের মোট সংখ্যায় সবার উপরে যুক্তরাষ্ট্র। ৫৩ লাখের বেশি মানুষ এরই মধ্যে টিকা নিয়েছেন। কিন্তু শতকরা হিসেবে ৬ জানুযারি পর্যন্ত করোনার টিকার আওতায় এসেছেন এক দশমিক ছয় শতাংশ।যুক্তরাজ্যে গত ৮ ডিসেম্বর বায়োনটেক ও ফাইজারের ভ্যাকসিন দিয়ে করোনার টিকা কার্যক্রম চালু হয়। তাদের হালনাগাদ তথ্যটি ২৭ ডিসেম্বরের। সেই হিসাবে তারা সাড়ে ৯ লাখ ডোজ টিকা বিতরণ করেছে। যা মোট জনগোষ্ঠীর সোয়া এক ভাগ।

চীনে গত সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি সিনোফার্মের টিকার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে।শেষ ধাপের ট্রায়ালে আছে আরো কয়েকটি। তবে অনুমোদনের আগে পরীক্ষা পর্যায়েই সেসব টিকা ৪৫ লাখ মানুষের দেহে প্রয়োগ করা হয়েছে। বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশটিতে শতকরা হিসাবে সেটি একভাগেরও কম। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৫ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা দেশটির।

ট্রায়াল শেষের আগেই বিশ্বে সবার আগে নিজেদের উদ্ভাবিত টিকার অনুমোদন দিয়ে আলোচনায় আসে রাশিয়া। গত ৫ জানুয়ারির ঘোষণা অনুযায়ী দেশটি এরই মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে স্পুটনিক ফাইভ নামের সেই টিকা দিয়েছে। যা মোট জনগোষ্ঠীর এক ভাগের কম।

ইউরোপের দেশগুলো গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে একজোটে বায়োনটেক-ফাইজারের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনতে পেরেছে জার্মানি। গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে তিন লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ টিকা পেয়েছেন। জনসংখ্যার হিসাবে এটি এক ভাগের প্রায় অর্ধেক।মোট সংখ্যায় পিছিয়ে থাকলেও জনসংখ্যার শতকরা হিসাবে জার্মানির চেয়ে ইটালি কিছুটা এগিয়ে। করোনায় ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ভোগা দেশটিতে এখন পর্যন্ত তিন লাখ সাত হাজার ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। যা মোট জনগোষ্ঠীর দশমিক পাঁচ-এক ভাগ।

কানাডায় গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে টিকা দেয়া শুরু হয়।১ লাখ ৬৩ হাজার মানুষ এখন পর্যন্ত সেখানে করোনার প্রতিষেধক পেয়েছেন। যা জনসংখ্যার দশমিক চার-তিন ভাগ।স্পেনে গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন বিতরণ করা হয়েছে। যদিও জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে তা উল্লেখযোগ্য নয়।

ইউরোপের সব দেশেই করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশও তড়িঘড়ি করেই কার্যক্রম শুরু করেছে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা এরই মধ্যে ৫২ হাজার ডোজ বিতরণ করেছে। তবে এই দৌড়ে এখনও যোগ দিতে পারেনি সিংহভাগ উন্নয়নশীল ও কোনো অনুন্নত দেশ। সব মিলিয়ে বিশ্বের জনসংখ্যার তুলনায় মাত্র দশমিক দুই ভাগ টিকা বিতরণ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 dainikdeshantar

Theme Customized BY WooHostBD