fbpx
সংবাদ শিরোনাম
সৌদি আরবের জেদ্দায় ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তীব্র তাপদাহেও গ্রীষ্মের সৌন্দর্য অমলিন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হলেন প্রিয়ন ফুলছড়িতে প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ বৈষম্যের প্রতিবাদে সারাদেশের ন্যায় কর্মবিরতিতে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ডুমুরিয়ায় নিসচা’র নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. কওমী মাদ্রাসা উদ্বোধন টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশে তৃতীয় স্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মণিরামপুরে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী থেকে সরে দাড়ালেন মিকাইল হোসেন

উৎসবহীন আরও এক বসন্তে ইবি

                                           
ইমরান মাহমুদ
প্রকাশ : সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ইবি প্রতিনিধিঃ বৈচিত্র্যময় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রকৃতির পালাবদলে এই বাংলায় ষড়ঋতুর আগমন ঘটে। ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে প্রকৃতি নিজেকে সাজিয়ে তোলো বিচিত্র সব সাজে। কালের পরিক্রমায় প্রতি বছর প্রকৃতিতে আগমন ঘটে ঋতুরাজ বসন্তের। বসন্তের আগমনে প্রকৃতি হয়ে উঠে প্রাণচঞ্ঝল। শুকনো পাতা ঝরে জন্ম নেয় নতুন কচি পাতা। বাতাসে ভেসে বেড়ায় কোকিলের মায়াজুড়ানো কুহু-কুহু গান। গাছে গাছে ফোটে শিমুল-পলাশ। আমের মুকুলের ঘ্রাণে মাতোয়ারা হয় চারপাশ। প্রকৃতি সেজে উঠে বাসন্তী সাজে। প্রকৃতি নিজেকে বাসন্তী সাজে সাজালেও এবারও বসন্তের সাজ নেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরে।

করোনার আগে প্রতিবছর ঋতুরাজ বসন্তের দিনে বাসন্তী আমেজে প্রাণবন্ত হয়ে থাকতো গোটা ক্যাম্পাস। সকাল হতে না হতেই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি চত্বর। ছেলেরা পাঞ্জাবী আর মেয়েরা শাড়ি পড়ে মাথায় ফুল গুজে ঘুরে বেড়াতো পুরো ক্যাম্পাসে। বের হতো বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অংশ নিতো সেই শোভাযাত্রায়। বাংলা মঞ্চে পরিবেশিত হতো দিনব্যাপী সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে টানা দুই বছর বসন্তের কোন অনুষ্ঠান নেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। মহামারী করোনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ছেড়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাই বসন্তের আগমনেও রঙহীন ইবি ক্যাম্পাস। উৎসবিহীন এই ক্যাম্পাস দেখে অতিতের স্মৃতিচারণ করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সুকান্ত দাস বলেন, ’করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার জন্য গত দুই বছর ক্যাম্পাসে ফাগুন উৎসবের আমেজ দেখা যায় নি। এবারও সবকিছু বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী বাসায় রয়েছে। যে কারণে ক্যাম্পাস অনেকটা প্রাণহীন। রঙিন পোশাকে বাহারি সাজে বন্ধুদের সেই আড্ডা খুব মিস করছি। খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু আগের মতো হয়ে যাক, ক্যাম্পাস প্রাণ ফিরে পাক, ফাগুন উৎসব আগের মতো রঙিন হয়ে উঠুক এটাই চাওয়া।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গাজী মাহবুব মুর্শিদ বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর বিভিন্ন আয়োজনে বাসন্তী উৎসব পালন করে থাকি। এটা আমাদের বিভাগের ট্রাডিশন। কিন্তু করোনার কারনে এ বছর আমরা দিনটি ঘটা করে উৎযাপন করতে পারলাম না। বিষয়টা দুঃখজনক। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে আগামী বছর জমকালো আয়োজনে আমরা উৎসবটি উৎযাপন করবো।’

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগ থেকে পড়ুন